শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, রাত ১০:৫৭
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

শেবাচিম হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি,৪৮ ঘন্টা পরে কমপ্লিট শাটডাউনের ডাক

ডেস্ক রিপোর্ট ।। নিরাপদ কর্মস্থলের দাবিতে ৪৮ ঘন্টার মাথায় পূর্ণ শাটডাউনে যাওয়ার আল্টিমেটাম দিয়েছে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের চিকিৎসকসহ সকলস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।একই সাথে চিকিৎসক কর্মচারীদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে সকাল ৮টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বর্জন করেছে মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (১৮ আগস্ট) বেলা ১২ টায় হাসপাতালের তৃতীয় তলার সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মলেনের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মিডলেভেল ডক্টরস্ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. শাখাওয়াত হোসেন সৈকত।

তিনি বলেন, শের ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সকল স্তরের চিকিৎসকবৃন্দ, ইন্টার্ন চিকিৎসকবৃন্দ, নার্সিং অফিসার, টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীবৃন্দ একত্রিতভাবে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি বলেন, পূর্ণ শাটডাউনের যাওয়ার পূর্বে সোমবার ও মঙ্গলবার হাসপাতালের সামনে নিরাপদ কর্মস্থলের দাবিতে বেলা সাড়ে ১২ টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত একঘন্টা করে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনের আয়োজন করা হবে। তবে এই ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ডাক্তার ও কর্মচারীদের ওপর হামলাকারী দোষীদের যদি গ্রেপ্তার করা না হয় তাহলে আমরা ৪৮ ঘন্টা পরে পূর্ণ শাটডাউনে যাবো।

তিনি বলেন, বরিশালবাসীর জনস্বাস্থ্য ও রোগীদের কথা বিবেচনা করে আমরা ৪৮ ঘন্টা আমাদের সার্ভিস চালু রাখবো। তবে এ ৪৮ ঘন্টার মধ্যে হাসপাতালের কোন কর্মকর্তা ও কর্মচারী বা হাসপাতালের কোন স্থাপনার ওপর হামলা হয়, কিংবা কোন অপ্রিতীকর ঘটনা ঘটে তাহলে আমরা তাৎক্ষনিক কর্মবিরতিতে যাবো। আর এ জন্য দায়ী থাকবে হামলাকারীরা।

এদিকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে ডা. মো. নাজমুল হুদা বলেন, কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে আমরা গত ১৪ আগস্ট কর্মবিরতিতে গিয়েছিলাম। কিন্তু হাসপাতাল পরিচালক এর অনুরোধ ও রোগীর দুর্ভোগের কথা বিবেচনায় কর্মবিরতি প্রত্যাহার করি। এসময় পরিচালককে ৪৮ ঘণ্টার সময় দেয়া হয়। কিন্তু ১৭ আগস্ট আবার আন্দোলনের নামে কিছু দুষ্কৃতকারী আমাদের মেডিসিন বিভাগের ইনডোর মেডিকেল অফিসার ডা. দিলীপ রায় স্যারের উপর অতর্কিত হামলা করে। এছাড়া হাসপাতালের স্টাফদের উপর হামলা করে। হাসপাতাল ভবনকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে পুরো হাসপাতালে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে। এই ঘটনায় উসকানিদাতা এবং হামলাকারীদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের দাবি জানাই।

সংবাদ সম্মেলনের আগে সভাকক্ষে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর এর উপস্থিতিতে সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রতিনিধিদের নিয়ে জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে পরিচালক কোন কথা বলতে না চাইলেও সংবাদ সম্মেলন করেন সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রতিনিধিবৃন্দ। সংবাদ সম্মেলন শেষে হাসপাতালের সামনে বান্দরোডে নিরাপদ কর্মস্থলের দাবিতে মানববন্ধন করেন কর্মরত চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।